Marketing

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার তদারকিতে মাউশির কড়া নির্দেশ: ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন তলব

image (2)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা কঠোরভাবে তদারকি করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নীতিমালার আলোকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কার্যক্রম এবং নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি। ১৭ সেপ্টেম্বর মাউশির এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারীকৃত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রশাসন শুরু থেকেই কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মাউশির আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের সদস্যদের সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার ব্যাপারে গত ১৭ আগস্ট মনিটরিংয়ের একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি প্রেরিত নতুন চিঠিতে পূর্বের সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দপ্তরগুলো কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তার সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রেরিত নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দুটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে মাউশিকে অবগত করার কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি নীতিমালা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত, অনলাইন কার্যক্রম তদারকিতে গঠিত মনিটরিং কমিটি কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তদারকি সংক্রান্ত তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে মাউশির মনিটরিং কমিটির কাছে কোন পদ্ধতিতে তথ্য পাঠানো হচ্ছে, তা বিস্তারিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকার পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর বা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী কোনো পোস্ট বা কার্যক্রম শনাক্ত হলে তা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট মনিটরিং কমিটির আহ্বায়কের কাছে রিপোর্ট করতে হবে। পরবর্তীতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতানের কার্যালয়ের নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় প্রতিবেদন পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।

শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো বন্ধ করতে মাউশি এই তদারকি জোরদার করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার মনিটরিং ব্যবস্থার এই ত্বরান্বিত পদক্ষেপ শিক্ষা প্রশাসনে সার্বিক প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Published with WpNewblog — www.rameshpoudel.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *