Marketing

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক মনোনয়নে অনিয়মের অভিযোগ শাবিপ্রবি শিক্ষিকার

image (2)

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালা অনুসরণ না করে অনিয়ম করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন ও আণবিক জীববিদ্যা (বিএমবি) বিভাগের প্রভাষক সানজিদা আক্তার। সমান সিজিপিএ থাকা সত্ত্বেও প্রকৃত প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা না করে অন্য এক প্রার্থীকে চ চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সানজিদা আক্তার জানান, তিনি এবং মনোনীত প্রার্থী উভয়েই স্নাতকে সমান সিজিপিএ অর্জন করেন এবং পরবর্তী সময়ে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ইউজিসির স্বর্ণপদক নীতিমালা অনুযায়ী, দুজন প্রার্থীর সিজিপিএ সমান হলে মোট প্রাপ্ত নম্বরের শতাংশ বিবেচনা করার নিয়ম রয়েছে। বিএমবি বিভাগের নম্বরপত্র পর্যালোচনা করে তিনি দেখতে পান, স্নাতকের ৬৩টি কোর্সের মধ্যে সংগৃহীত ৪৫টি কোর্সে তিনি অপর প্রার্থীর চেয়ে ৪০ দশমিক ২৫ নম্বরে এগিয়ে রয়েছেন।

সানজিদা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে বিভাগ থেকে প্রথমে তাঁর নামই ডিন অফিসে সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা ছাড়াই সেই নাম পরিবর্তন করে ইউজিসিতে অন্য প্রার্থীর নাম পাঠানো হয়। প্রাপ্ত নম্বরের সার্বিক বিবরণী দেখতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, সেখানে শিক্ষার্থীদের কোর্সভিত্তিক মোট নম্বরের পূর্ণাঙ্গ হিসাব সংরক্ষিত নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দায়িত্বশীল প্রশাসনিক দপ্তরে মূল একাডেমিক রেকর্ড না থাকা এবং স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই শিক্ষক।

ঘটনার বিষয়ে বিএমবি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল শোয়েব জানান, প্রথম মনোনয়নের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন। তবে বেশ কিছু নন-মেজর কোর্সের নম্বর বিভাগের কাছে থাকে না এবং ইউজিসি বর্তমানে অভিযোগগুলো পুনঃযাচাই করছে। জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. ফারুক মিয়া বলেন, সব কোর্সের নম্বর সংরক্ষিত না থাকায় একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে সেমিস্টারভিত্তিক ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, সানজিদা আক্তারের আবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি ইউজিসির নির্দেশিকা মেনে পুনঃযাচাইয়ের জন্য ডিন দপ্তরে পাঠানো হয়। ডিন অফিসের পর্যালোচনার ভিত্তিতেই নাম ইউজিসিতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, সানজিদা আক্তার ইতঃপূর্বে ইউজিসি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং ব্যক্তিগত সংঘাত এড়িয়ে একাডেমিক রেকর্ডের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Published with WpNewblog — www.rameshpoudel.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *