বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায়
26 October 2026 —
ব্যবসা-বাণিজ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা তুলে ধরতে ঢাকায় আয়োজিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬। আগামী ৫ নভেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে দিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তদারকিতে এবং প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন অংশীজনের অংশগ্রহণে এই সামিট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সম্মেলনের প্রস্তুতি ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সামিট সফল করার লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন উপকমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আয়োজন সংক্রান্ত নানা পরামর্শ তুলে ধরেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের সামিটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছে একটি বিশালাকার এআই প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে দেশের শতাধিক এআইভিত্তিক স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবিত পণ্য, সেবা ও বাস্তবমুখী সমাধান প্রদর্শন করবে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য দেশি-বেশি বিনিয়োগকারী, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কার্যকর ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।
সম্মেলন চলাকালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান অগ্রগতি, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এআইয়ের প্রয়োগ এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব সেশনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক করপোরেট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক এবং নীতি নির্ধারকেরা অংশগ্রহণ করবেন। সেশনগুলোতে এআই প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক ডেটা সুরক্ষার গুরুত্ব, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্প খাতের কার্যকর সংযোগ সৃষ্টির বিষয়ে বিষদ আলোচনা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের ব্যবসায়িক খাতকে প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে এটি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। স্থানীয় স্টার্টআপগুলোর জন্য বিনিয়োগ পাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বাজারে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ নভেম্বর সকাল ১০টায় সামিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে। উদ্বোধনী পর্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং দেশীয় প্রযুক্তি খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
Published with WpNewblog — www.rameshpoudel.com