ওয়ালটন প্লাজা কিস্তি সুবিধা: জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো আউটলেট থেকে নগদ অর্থ উত্তোলনের সুযোগ
1 November 2026 —
গ্রাহকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। নতুন এই ওয়ালটন প্লাজা কিস্তি সুবিধা-র মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ড’ধারী গ্রাহকেরা দেশের যেকোনো শোরুম থেকে সর্বোচ্চ এক কিস্তির সমপরিমাণ নগদ অর্থ তুলতে পারবেন। চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে সারা দেশে একযোগে এই নতুন সেবাটি কার্যকর হয়েছে।
ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, জরুরি আর্থিক সংকটের মুহূর্তে গ্রাহকদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের নিরাপত্তা বলয় সুসংহত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী যে নির্দিষ্ট শোরুম থেকে পণ্য কেনা হতো, নগদ অর্থ উত্তোলনের জন্য কেবল সেখানেই যোগাযোগের বাধ্যবাধকতা ছিল। তবে নতুন প্রক্রিয়ায় গ্রাহক দেশের যে প্রান্তেই অবস্থান করুন না কেন, নিকটস্থ যেকোনো প্লাজা থেকেই এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে গ্রাহকদের সময় ও শারীরিক দুর্ভোগ বহুলাংশে কমে আসবে।
প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরেই ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতি’র আওতায় গ্রাহকদের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। এই নীতির অধীনে কিস্তি চলাকালে সুরক্ষা কার্ডধারী কোনো ক্রেতার আকস্মিক মৃত্যু হলে, ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্যের ভিত্তিতে তাঁর পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মৃত ক্রেতার বকেয়া কিস্তির সম্পূর্ণ টাকা মওকুফ করে ওয়ালটন প্লাজা এবং তাঁর পরিবারের কোনো যোগ্য সদস্যের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি পরিবারের কোনো সদস্য মারা গেলেও ক্ষেত্রভেদে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার সাহায্য প্রদান করা হয়।
আর্থিক অনুদানের বাইরেও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিস্তৃত সেবা পাচ্ছেন এই কার্ডধারীরা। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ভ্রমণ ও বিনোদনের সুবিধার্থে দেশের আটটি বিভাগে পাঁচ হাজারের বেশি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের চুক্তি রয়েছে ওয়ালটন প্লাজার। ফলে নিবন্ধিত গ্রাহকেরা হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, রিসোর্ট, ফ্যাশন হাউজ এবং এয়ারলাইন্সে কেনাকাটা ও সেবা গ্রহণে বিশেষ ছাড় উপভোগ করতে পারেন। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছানো, জরুরি রক্ত সরবরাহ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিশ্চিত করতে ‘হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথকেয়ার’ ও টেলিমেডিসিন সেবাও চাল রাখা হয়েছে।
গ্রাহকবান্ধব এই পদক্ষেপ সম্পর্কে ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান জানান, কেবল উচ্চমানের পণ্য পৌঁছানোই তাঁদের উদ্দেশ্য নয়, বরং গ্রাহকদের ওয়ালটন পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানটি। বিপদের সময়ে তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ থেকেই এই নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য দিতে ভবিষ্যতে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। সেবাটি সংক্রান্ত যেকোনো অনুসন্ধানের জন্য হেল্পলাইন ১৬২৬৭ নম্বরে অথবা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
Published with WpNewblog — www.rameshpoudel.com