Marketing

সাইবার নিরাপত্তা ও এআই খাতে সুইডেন-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার

wnb news 1793793754 8A3eSN

বাংলাদেশে ডিজিটাল রূপান্তর, সাইবার নিরাপত্তা ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) খাতের অগ্রগতিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে সুইডেন। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিকাঠামো গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের বৈশ্বিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতি সম্প্রতি ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস নিজ দেশের এই আশ্বাসের কথা জানান।

বৈঠকে সরকারের ‘ওয়ান আইডি–ওয়ান ওয়ালেট’ উদ্যোগ, মানসম্পন্ন ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থা, অনলাইন আর্থিক লেনদেনের সুরক্ষা এবং নাগরিকবান্ধব ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো বিশেষ প্রাধান্য পায়। আন্তর্জাতিক এই আলোচনায় নিরাপদ ব্যাংকিং ও আধুনিক পরিচয়প্রযুক্তি, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, ডিজিটাল সেবার সার্বিক সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

প্রস্তাবিত প্রযুক্তিগত নীতিমালা ও সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সরকারের লক্ষ্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করা নয়। মূলত সাইবার স্পেসে অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানি, অপপ্রচার, অনৈতিক কনটেন্ট প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধেই সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তথ্যের সুরক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে।

সুইডেনের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার মতো বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গেও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান, টেলিযোগাযোগ ও আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ। বহুজাতিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিবর্তনের এই যুগে নিরাপদ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরির ওপর প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন।

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার হুমকি মোকাবিলা এবং ডেটা সুরক্ষার চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তদেশীয় প্রযুক্তি অংশীদারত্ব ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিকাঠামো আরও সুরক্ষিত হবে এবং এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

Published with WpNewblog — www.rameshpoudel.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *